ক্রিয়েটিন ক্যাপসুল CAS:57-00-1
ক্রিয়েটিন মানবদেহে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত একটি যৌগ, যা প্রধানত যকৃত, বৃক্ক এবং অগ্ন্যাশয়ে তৈরি হয়। এটি কোষের প্রধান শক্তি মুদ্রা অ্যাডেনোসিন ট্রাইফসফেট (ATP) উৎপাদনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাপ্লিমেন্ট হিসেবে গ্রহণ করা হলে, ক্রিয়েটিন শরীরের ফসফোক্রিয়েটিনের ভান্ডার বাড়াতে পারে, যার ফলে তীব্র শারীরিক কার্যকলাপের সময় ATP-এর পুনরুৎপাদন উন্নত হয়। এর ফলে শক্তি, ক্ষমতা এবং পেশীর সহনশীলতা বৃদ্ধি পেতে পারে, যা স্বল্প সময়ের জন্য শক্তির প্রয়োজন হয় এমন কার্যকলাপের জন্য এটিকে বিশেষভাবে উপকারী করে তোলে। এছাড়াও, ক্রিয়েটিন সাপ্লিমেন্ট পেশীর বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করতে পারে এবং তীব্র ব্যায়ামের পর্বগুলোর মধ্যে পুনরুদ্ধারে সহায়তা করতে পারে। এর সম্ভাব্য জ্ঞানীয় উপকারিতা নিয়েও গবেষণা চলছে, কারণ ক্রিয়েটিন মস্তিষ্কে উপস্থিত থাকে এবং মানসিক কর্মক্ষমতায় ভূমিকা রাখতে পারে। এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে, যদিও ক্রিয়েটিন সাধারণত বেশিরভাগ ব্যক্তির জন্য নিরাপদ বলে মনে করা হয়, তবুও যেকোনো নতুন সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ শুরু করার আগে একজন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করা বাঞ্ছনীয়, বিশেষ করে যদি কোনো অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য সমস্যা থাকে বা অন্য কোনো ওষুধ গ্রহণ করা হয়। এছাড়াও, ক্রিয়েটিন সাপ্লিমেন্ট ব্যবহারের সময় এর সম্ভাব্য উপকারিতা সর্বাধিক করতে এবং সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি কমাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করা অপরিহার্য।
| গঠন | C4H9N3O2 |
| পরীক্ষা | ৯৯% |
| চেহারা | সাদা পাউডার |
| CAS নং | ৫৭-০০-১ |
| প্যাকিং | ২৫ কেজি |
| শেলফ লাইফ | ২ বছর |
| স্টোরেজ | ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন। |
| সার্টিফিকেশন | আইএসও। |








